ঢাকায় রাজকীয় চা খেতে চাইলে চলে আসুন উত্তরায় || Tour Team BD

ট্যুর টিম বিডি (Tour Team BD): চা খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আর সেটা যদি হয় বিখ্যাত মালাই চা  তাহলে তো কোন কথাই নেই। রাজা মামা বিখ্যাত চা খেতে চাইলে চলে আসুন ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে। রাজা মামার চা—নামের মধ্যেই একটা ব্যাপার আছে।


ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে যে কাউকে বললেই দেখিয়ে দেবে দোকানটি। দোকানে ঢুকতেই দেখা মিলবে হাস্যোজ্জ্বল বিশাল গোফধারী এক মানুষের। সবাই তাকে রাজা মামা বলেই চেনেন। কিন্তু তার আসল নাম আজহার উদ্দিন। অন্য কিছু নয়, তার কর্মের মাধ্যমেই নাম পরিবর্তন হয়ে সর্বমহলে পরিচিত তিনি। বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের পেছন দিকে গাড়ি পার্কিং এলাকায় দোকানটির যাত্রা শুরু হয় বছরখানেক আগে। ওই এলাকায় আরো বেশ কয়েকটি চা দোকান থাকলেও রাজা মামার চা একেবারেই স্বতন্ত্র।

চা পান করতে করকেই রাজা মামার গল্প শোনা হয়। জীবনে চলা পথে অনেক পেশায় থিতু হতে চেষ্টা করেছেন তিনি। কিন্তু পারেননি। ভালো থাকার আশায় একবার দুবাইও পাড়ি দিয়েছিলেন। সেখানেও প্রতারিত হয়েছেন তিনি। এরপর অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে রাজা মিয়া ২০১৯ সালের মাঝামাঝি চায়ের দোকান দেন এখানে।

প্রথমদিকে রাজা মিয়া মাল্টা চা, কালোজিরা চা, তেঁতুল চা আর সাধারণ দুধ চা বিক্রি করতেন। প্রতি কাপ চায়ের মূল্য ছিল পাঁচ টাকা। কিছুদিন পর প্রবাস জীবনে শেখা বিশেষ ধরণের চা বানাতে শুরু করেন। জনপ্রিয়তার শুরু তখন থেকেই। তার বানানো কাজুবাদামের এবং মসলা চা ক্রেতাদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে।

রাজা মামার চায়ের সুখ্যাতি এখন বিমানবন্দর এলাকা ছাড়িয়ে ঢাকা শহরের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। দিনে প্রায় পাঁচশ’ কাপ চা বিক্রি করেন রাজা। ঢাকার বাইরে থেকেও মানুষ ছুটে আসে রাজার রাজকীয় চায়ের স্বাদ নিতে।

কাজুবাদাম চায়ের মধ্যে রাজা বিভিন্ন ধরণের বাদাম, চিনি, কফি, কিশমিশ এবং দুধ মেশান। মসলা চাতে এলাচি, লবঙ্গ, তেজপাতা, দুধ এবং কফি মেশান। প্রতি কাপ চায়ের দাম ১৫ টাকা।

দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। ভ্রমণ করতে গিয়ে যেখানে সেখানে ময়লা, শুকনো খাবারের প্যাকেট, প্লাস্টিক বোতল/জার, কলার খোসা ইত্যাদি ফেলা থেকে কঠোরভাবে বিরত থাকবো। এগুলো আমাদের পরিবেশ দূষণ করার সাথে সাথে আমাদের ভ্রমণের জায়গাগুলোও নষ্ট করছে। সবাইকে অনুরোধ করছি, আমরা আমাদের পরিবেশ দূষণ করবো না। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।

Post a Comment

Previous Post Next Post