৬ মাস পর খুলে দেওয়া হলো ষাটগম্বুজ মসজিদ

১৮১ দিন বন্ধ ছিলো হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও জাদুঘর। করোনাভাইরাস উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে দেশের সকল পর্যটক স্থান বন্ধ রাখা হয়েছিলো।


আজ বুধবার থেকে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে এ ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইটটি।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

উন্মুক্ত হওয়ার পর প্রথম দিন পর্যটক ও দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল কম। যারা এসেছেন, তাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনেই টিকিট কেটে ষাটগম্বুজ মসজিদ ও জাদুঘরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।


বাগেরহাট প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের কাস্টোডিয়ান মো. গোলাম ফেরদৌস জানান, দেশে করোনা পরিস্থিতির কারণে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ১৯ মার্চ থেকে ষাটগম্বুজ মসজিদ ও জাদুঘরে পর্যটক-দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিলো। ১৮১ দিন পর মন্ত্রণালয়ের নির্দেশেই বুধবার থেকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এ ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইট। তবে আগের মতো গেট দিয়ে একসঙ্গে অনেক দর্শনার্থী প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।

এরআগে, ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাগেরহাটের অন্যান্য পর্যটন স্পট সীমিত পরিসরে খুলে দেয় জেলা প্রশাসন। এবার খোলা হলো ষাটগম্বুজ মসজিদ ও জাদুঘর। তবে এখনো বন্ধ রয়েছে বাগেরহাটের অপর ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইট সুন্দরবন।

দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। ভ্রমণ করতে গিয়ে যেখানে সেখানে ময়লা, শুকনো খাবারের প্যাকেট, প্লাস্টিক বোতল/জার, কলার খোসা ইত্যাদি ফেলা থেকে কঠোরভাবে বিরত থাকবো। এগুলো আমাদের পরিবেশ দূষণ করার সাথে সাথে আমাদের ভ্রমণের জায়গাগুলোও নষ্ট করছে। সবাইকে অনুরোধ করছি, আমরা আমাদের পরিবেশ দূষণ করবো না। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।


Post a Comment

Previous Post Next Post